Skip to main content

Calligraphy with a haiku of Basho












Yield to the willow
all the loathing and desire
of your heart

— Bashô

Calligraphy: Georgia Angelopoulos

Comments

Popular posts from this blog

হাইকু: নদী পর্ব

মারুফ বরকত ১ নদীর বুকে উথলে ওঠা ঢেউ শুকনা বালু ২ নদীতে আজ মাছের মতো ঘোরে মরুর বিছা ৩ শুকায় গেছে নদীর যত ছিল চোখের জল ৪ হতেই পারো আরব বেদুইন নদী শুকালে ৫ নদীটা দেখ! নদীর মতো লাগে - বালির জল ৬ রেলের সেতু নিদারুন কৌতুক- কোথায় নদী? ৭ নদীর পানি নদীতে সে কি থাকে? বেড়ায় উড়ে ৮ নদীর পানি পাখির মতো মন বেড়ায় উড়ে ৯ আমার বাড়ি আসা তোমার মানা ও ভাই, নদী ১০ ম্যাজিক নাকি? এক নিমেষে নদী শুকনা বালু! ১১ বানাতে পারো এমনি এক নাও বালুতে ভাসে? ১২ নাও বানাতে পারো যদি, দাও না একটা নদী! ১৩ এই শহরে রেখেছি তুলে আজ মডেল নদী

বাশো'র "অভ্যন্তরগামী সংকীর্ন পথ" এর সূচনা

Oku no Hosomichi   অভ্যন্তরগামী সংকীর্ন পথ এবং অন্যান্য রচনা: দ্য এসেনসিয়াল বাশো (১৯৯৮) Narrow Road to the Interior and Other Writings . trans. Sam Hamill মূল: মাৎসুও বাশো (১৬৪৪-১৬৯৪) ইংরেজি অনুবাদ: স্যাম হ্যামিল বাংলা ভাবানুবাদ: ম হাসান চন্দ্র এবং সূর্য দুই চিরায়ত পরিব্রাজক। এমনকি বছরও এগিয়ে চলে। জীবন যেনো ভেসে চলা একটি নৌকো, অথবা একটি পরিভ্রমণে ক্লান্ত ঘোড়া, প্রতিটি দিন এক ভ্রমণ আর সেই ভ্রমনই এক গৃহ। সেই প্রাচীন কাল থেকে কতো না পথিক হারিয়ে গেছে পথে পথে। তবু হাওয়ায় উড়িয়ে নেওয়া মেঘেরা সর্বদা আমায় টেনে নিতে চায় জীবনব্যাপি এক ভ্রমনের স্বপ্নে। এইতো গত হেমন্তে উপকূলে এক বছরব্যাপি বিচরণ শেষে গৃহে প্রত্যাবর্তনের পর, সুমিদার তীরে আমার কুঁড়েঘরের মাকড়সার ঝুল পরিষ্কার করেছিলাম আসন্ন নতুন বছর উপলক্ষে, কিন্তু বসন্তের কুয়াশা ক্ষেত থেকে ওঠা শুরু হতে না হতেই আমি শিরাকাওয়া বাঁধ পেরিয়ে উত্তরের অভ্যন্তরে যাত্রার জন্যে উন্মুখ হয়ে উঠলাম। ভ্রমনকারী দ'সজিন* এর আত্মা যেনো ভর করলো আমায়, আমি মনসংযোগ করতে পারছিলাম না কিছুতেই। আমার সুতি পাজামায় তালি মেরে, বাঁশের টুপিটায় একটা নতুন বাঁধুনি লাগিয়ে,...

বাশো'র সঙ্গে ভ্রমণ- (দুই)

Oku no Hosomichi   অভ্যন্তরগামী সংকীর্ন পথ এবং অন্যান্য রচনা: দ্য এসেনসিয়াল বাশো (১৯৯৮) Narrow Road to the Interior and Other Writings . trans. Sam Hamill মূল: মাৎসুও বাশো (১৬৪৪-১৬৯৪) ইংরেজি অনুবাদ: স্যাম হ্যামিল বাংলা ভাবানুবাদ: ম হাসান *** তৃতীয় চন্দ্রের সাতাশতম দিন খুব ভোরে, বিরাজমান সূর্যোদয়পূর্ব অস্পষ্টতা, স্বচ্ছ চাঁদ তখনও দৃশ্যমান, ফুজি পর্বত একটা ছায়ার মতো, আমি যাত্রা শুরু করলাম উয়েনো এবং ইয়ানাকার ফুটন্ত চেরীফুলগুলোর নিচ দিয়ে। আবার কবে ওদের দেখতে পাবো? কয়েকজন বন্ধু জড়ো হয়েছিলেন গত রাতে এবং আমার সঙ্গে এসেছিলেন অনেক দূর, নৌকা থেকে বিদায় দেবার জন্যে। সানজুতে নামার পর আমি অনুভব করলাম হৃদয়ের ভেতরে সমুখের তিন হাজার মাইল পথ যেনো দ্রুত বেগে ধেয়ে আসছে, সমস্ত পৃথিবী যেনো এক স্বপ্ন। আমি তা দেখতে পেলাম বিদায়ী অশ্রুর ভেতর দিয়ে: বসন্ত চলে যায় এবং পাখিরা কেঁদে ওঠে- মাছেদের চোখে অশ্রু। আমার তুলি থেকে এই প্রথম শব্দগুলোর সাথে আমি হাঁটা শুরু করলাম। যারা পেছনে থেকে যায় তারা দেখে এক পথিকের পিঠের ছায়া ক্রমশ মিলিয়ে যায়।